১৩ অক্টোবর ২০২৩

তৃতীয় অধ্যায়,মৌলিক ,যৌগিক ও মিশ্র পদার্থ

 

A) একটি বাক্যে উত্তর দাও :

1. পদার্থের কয়টি অবস্থাও কী কী

উত্তর: পদার্থের তিনটি অবস্থাকঠিন, তরল গ্যাসীয়

2. আমাদের বায়ুমণ্ডলে উপস্থিত কোন্ গ্যাস জ্বলতে সাহায্য করে ?

উত্তর: আমাদের বায়ুমণ্ডলে উপস্থিত অক্সিজেন গ্যাস জ্বলতে সাহায্য করে।

3. বায়ুমণ্ডলে উপস্থিত কোন্ গ্যাস আগুন জ্বলতে সাহায্য করে না ?

উত্তর: বায়ুমণ্ডলে উপস্থিত কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO2) গ্যাস আগুন জ্বলতে সাহায্য করে না 

4. কোন্ গ্যাস কোনো কিছু জ্বলতে সাহায্য করে না কিন্তু নিজে দাহ্য?

উত্তর: হাইড্রোজেন গ্যাস কোনো কিছু জ্বলতে সাহায্য করে না কিন্তু নিজে দাহ্য। 

5. পরমাণু বলতে কী বোঝ ?

উত্তর: কোনো মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা, যার মধ্যে ওই মৌলিক পদার্থের গুণগুলো বর্তমান, তাকে পরমাণু বলে।

6. একটি তড়িতের সুপরিবাহী অধাতুর নাম লেখো

উত্তর: গ্রাফাইট হল তড়িতের সুপরিবাহী অধাতু

7. বায়ুর উপাদানগুলি কী কী ?

উত্তর: বায়ুতে প্রধানত নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, কার্বন ডাইঅক্সাইড, জলীয় বাষ্প নিষ্ক্রিয় গ্যাস দেখা যায়।

. মৌলিক পদার্থ বলতে কী বোঝ ?

উত্তর: যে পদার্থকে বিশ্লেষণ করলে কেবলমাত্র সেই পদার্থ ছাড়া অন্য কোনো পদার্থ পাওয়া যায় না তাকে মৌলিক পদার্থ বলে।

9. দুটি মৌলিক পদার্থের উদাহরণ দাও।

উত্তর: অক্সিজেন এবং তামা হল দুটি মৌলিক পদার্থ  

10. যৌগিক পদার্থ কাকে বলে?

উত্তর: এক বা একাধিক মৌলিক পদার্থ রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে যুক্ত হয়ে যে পদার্থ উৎপন্ন করে তাকে যৌগিক পদার্থ বলে।

11. দুটি যৌগিক পদার্থের উদাহরণ দাও। 

উত্তর: জল এবং মিথেন হল দুটি যৌগিক পদার্থ

12. যৌগের অণু কাকে বলে?

উত্তর: যৌগিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা যা স্বাধীনভাবে থাকতে পারে এবং যে কণার মধ্যে যৌগটির ধর্ম বর্তমান থাকে তাকে যৌগিক অণু বলে।

13. জল কী কী উপাদানে গঠিত

উত্তর: জল হাইড্রোজেন অক্সিজেন নিয়ে গঠিত।

14. চিহ্ন বলতে কী বোঝ ?

উত্তর: মৌলিক পদার্থের একটি পরমাণুকে সংক্ষেপে যার দ্বারা প্রকাশ করা হয় তাকে চিহ্ন বলে।

15. নাইট্রোজেনের চিহ্ন কী?

উত্তর: নাইট্রোজেনের চিহ্ন N

16. সংকেত বলতে কী বোঝ?

উত্তর: যৌগিক পদার্থের একটি অণুকে যার দ্বারা সংক্ষেপে প্রকাশ করা হয় তাকে সংকেত বলে।

17. জলের সংকেত কী ?

উত্তর: জলের সংকেত হল H2O 

18. যোজ্যতা বলতে কী বোঝ?

উত্তর: দুটি মৌলের রাসায়নিকভাবে পরস্পর যুক্ত হওয়ার ক্ষমতাকে যোজ্যতা বলে।

19. হাইড্রোজেন ভিত্তিক যোজ্যতা বলতে কী বোঝ ?

উত্তর: হাইড্রোজেনের যোজ্যতা 1 ধরে অন্য মৌলগুলির যোজ্যতা নির্ণয় করা হয়, একেই হাইড্রোজেন ভিত্তিক যোজ্যতা বলে।

20. PH3 অণুতে ফসফরাসের যোজ্যতা কত?

উত্তর: PH, অণুতে ফসফরাসের যোজ্যতা 3

21. 1টি কার্বন পরমাণু 4টি হাইড্রোজেনের সাথে যুক্ত হলে কার্বন পরমাণুর যোজ্যতা কত?

উত্তর: কার্বন পরমাণুর যোজ্যতা 4

22. পারমাণবিকতা কাকে বলে?

উত্তর: একটি মৌলিক পদার্থের অণু যতগুলি পরমাণু দ্বারা গঠিত সেই সংখ্যাকে ওই মৌলের পারমাণবিকতা বলে।

23. মিশ্র পদার্থ বলতে কী বোঝ ?

উত্তর: যে পদার্থে একাধিক পদার্থ মিশে থাকে তাকে মিশ্র পদার্থ বলে।

24. দ্রবণ কি যৌগিক না কি মিশ্র পদার্থ?

উত্তর: দ্রবণ হল মিশ্র পদার্থ।

25. একটি দ্রবণের কয়টি অংশ কী কী ?

উত্তর: একটি দ্রবণের দুটি অংশদ্রাব এবং দ্রাবক।

26. দ্রাব কী?

উত্তর: দ্রবণ তৈরির সময় যে পদার্থটা গুলে যায় তাকে দ্রাব বলে।

27. দ্রাবক কী?

উত্তর: দ্রবণ তৈরির সময় দ্রাব যার মধ্যে গুলে যায় তাকে দ্রাবক বলে।

28. চিনির শরবতে দ্রাব কী?  

উত্তর: চিনির শরবতে দ্রাব হল চিনি।

29. পরিস্রাবণ কী?

উত্তর: ফিলটার কাগজের মতো ছাঁকনির সাহায্যে তরল কঠিনকে আলাদা করার পদ্ধতি হল পরিস্রাবণ

30. বালির লোহাচুরের মিশ্রণ থেকে লোহা বের করার জন্য তুমি কী ব্যবহার করবে

উত্তর: বালি লোহাচুরের মিশ্রণ থেকে লোহা বের করার জন্য চুম্বক ব্যবহার করব।

31. কেলাসন কী ?

উত্তর: দ্রবণ থেকে কঠিন পদার্থের কেলাস তৈরির পদ্ধতিকে কেলাসন বলে।

B) সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্নোত্তর

1. ধাতুর চারটি বৈশিষ্ট্য লেখো  

উত্তর: [a] ধাতুর ওপরের তলে আলো পড়লে চকচক করে। [b] ধাতু তাপ তড়িতের সুপরিবাহী। [c] ধাতুকে আঘাত করলে ঠং করে বিশেষ শব্দ হয়। [d] ধাতুকে জোরে পিটলে চ্যাপটা হয়ে যায়।

2. যৌগিক পদার্থের দুটি বৈশিষ্ট্য লেখো। 

উত্তর: [a] যৌগিক পদার্থ দুই বা ততোধিক মৌলিক পদার্থ নিয়ে গঠিত। [b] যৌগিক পদার্থের মধ্যে অবস্থিত মৌলগুলির নিজস্ব ধর্ম লোপ পায়

3. জল যে একটি যৌগিক পদার্থ তা কীভাবে বুঝবে

উত্তর: জল হাইড্রোজেন অক্সিজেন নিয়ে গঠিত। অক্সিজেন জ্বলতে সাহায্য করে, আর হাইড্রোজেন জ্বলতে সাহায্য না করলেও নিজে জ্বলে। কিন্তু জল আগুন নেভায় আবার নিজেও জ্বলে না। অর্থাৎ জলে হাইড্রোজেন অক্সিজেনের ধর্ম লোপ পায়। এই কারণে জল একটি যৌগিক পদার্থ |

4. একগ্লাস জলে এক চামচ নুন ঢেলে ভালো করে গুললে নুনের কণাগুলি আর দেখা যায় না তাহলে নুনের কণাগুলি যায় কোথায় ?

উত্তর: নুনের কণাগুলিকে জলে গুললে নুনের কণাগুলি ছোটো ছোটো অণুতে পরিণত হয়, সেগুলি জলের অণুগুলির সাথে মিশে দ্রবণের সব জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে।

5. গরমকালে আমাদের প্রচুর ঘাম হলে জামাকাপড়ে সাদা দাগ দেখা যায় কেন?

উত্তর: ঘামের মধ্যে নুন থাকে। গরমকালে ঘামের সাথে এই নুন দেহের বাইরে বেরিয়ে আসে। পরে যখন জল বাষ্প হয়ে উবে যায় তখন নুন পড়ে থাকে, তাই নুনের সাদা দাগ দেখা যায়

6. তোমার বাড়িতে বা বাড়ির আশেপাশে দেখা এমন তিনটি জিনিসের নাম বলো যারা মৌলিক, যৌগিক  মিশ্র পদার্থ ?

উত্তর: রান্নাঘরের লোহার কড়াইমৌলিক পদার্থ। ব্লিচিং পাউডার/সাবানযৌগিক পদার্থ।নুন-জল, চিনির শরবতমিশ্র পদার্থ।

. যৌগিক মিশ্র পদার্থের মধ্যে তফাত কোথায় ?

উত্তর: যৌগিক পদার্থে ওর উপাদান মৌলগুলির নিজস্ব ধর্ম বজায় থাকে না। কিন্তু মিশ্র পদার্থে ওর উপাদানগুলির নিজস্ব ধর্ম বজায় থাকে।

9. একটি সাদা কাগজে বালি লোহাচুরের মিশ্রণ আছে। ওই মিশ্রণ থেকে লোহাচুরকে আলাদা করবে কীভাবে ?

উত্তর: একটি সাদা কাগজে রাখা বালি লোহাচুরের মিশ্রণের ওপর দিয়ে একটি দণ্ডচুম্বককে বেশ কয়েকবার ঘোরালে দেখা যাবে | লোহাচুরগুলি চুম্বক দ্বারা আকৃষ্ট হয়ে চুম্বকের গায়ে আটকে যাচ্ছে। এই প্রক্রিয়াটি আরও কয়েকবার করা হলে সব লোহাচুর চুম্বকের গায়ে আটকে যাবে। এইভাবে বালি থেকে লোহাচুরকে আলাদা করা যাবে।

10. জল যে হাইড্রোজেন অক্সিজেন নিয়ে গঠিত তা একটি পরীক্ষার সাহায্যে প্রমাণ করো।

উত্তর: একটি বিকারের মধ্যে একটি রবারের টুকরো নিয়ে রবারের গায়ে দুটি লোহার পেরেক আটকানো হল। তারপর বিকারটি আংশিক জলপূর্ণ করা হল। এবার তিনটি টর্চের ব্যাটারির সাথে তামার তার জুড়ে তারের দুই প্রান্ত পেরেক দুটিতে স্পর্শ করানো হল। ভালো করে লক্ষ করলে দেখা যাবে পেরেক দুটিতে রুদ্বুদ আকারে গ্যাস জমা হচ্ছে। পরীক্ষা করলে দেখা যাবে একটি হাইড্রোজেন অপরটি অক্সিজেন গ্যাস। এই পরীক্ষা দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, জল হাইড্রোজেন অক্সিজেন নিয়ে গঠিত।


২২ সেপ্টেম্বর ২০২৩

ঘনবস্তু

 

ঘনবস্তু

ঘনবস্তু কাকে বলে:

যে সকল বস্তু বা পদার্থ কিছুটা স্থান দখল করে থাকে এবং যার দৈর্ঘ্য, প্রস্থ এবং উচ্চতা আছে তাকে ঘনবস্তু বলে
যেমন বল, ইট, বই, খাতা,কয়লার টুকরো, পর্বত, ভাঙা ইট, ইত্যাদি

ঘনবস্তু কত প্রকার ও কি কি:

ইহা আকৃতি অনুসারে দুই প্রকার| যথাঃ

১) সুষম ঘনবস্তু ও
২) বিষম ঘনবস্তু

সুষম ঘনবস্তু:

যে সমস্ত ঘনবস্তুর বহিরাকৃতি সামঞ্জস্যপূর্ণ তাদের সুষম ঘনবস্তু বলে|
যেমন বল, ইট, বই, খাতা ইত্যাদি এরুপ|

বিষম ঘনবস্তু:

যে সমস্ত ঘনবস্তুর বহিরাকৃতি সামঞ্জস্যহীন তাদের বিষম ঘনবস্তু বলে|
যেমন কয়লার টুকরো, পর্বত, ভাঙা ইট ইত্যাদি|

দৈর্ঘ্য, প্রস্থ এবং উচ্চতা বা বেধ হল এক একটি মাত্রা।

ঘনবস্তুর মাত্রা কয়টি ও কি কি:

ঘনবস্তুর মাত্রা ৩ টি,একটি ঘনবস্তুর দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতা - তিনটিই আছে, একারণে তা ত্রিমাত্রিক। বস্তুত, আমরা যে বস্তুজগতে বাস করি স্থানিক বিবেচনায় তার পুরোটাই ত্রিমাত্রিক।

বিভিন্ন প্রকার সুষম ঘনবস্তু:

১. আয়তঘন
আয়তঘন এর সংজ্ঞা : যে ঘনবস্তুর প্রতিটি তল আয়তক্ষেত্রাকার এবং বিপরীত তল গুলির দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ সমান এবং সন্নিহিত তলগুলি পরস্পর লম্ব, তাকে সমকোণী চৌপল বা আয়তঘন বলা হয়।

৬টি পৃষ্ঠতল
* ১২টি ধার বা প্রান্তরেখা
* ৮টি শীর্ষবিন্দু
* সন্নিহিত তল গুলি পরস্পর ৯০° বা সমকোনে আনত থাকে।

২. ঘনক 

ঘনক এর সংজ্ঞা : আয়তাকার ঘনবস্তুর দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতা সমান হলে, তাকে ঘনক বলে।
৬টি তল 
* ১২টি ধার বা প্রান্তরেখা
* ৮টি শীর্ষবিন্দু
* সন্নিহিত তল গুলি পরস্পর ৯০° বা সমকোনে আনত থাকে।

৩.  চোঙ বা বেলন বা সিলিন্ডারঃ যে সকল ঘন বস্তুর দুটি প্রান্ততল বৃত্তাকার এবং যারা পরস্পর সমান্তরাল ভাবে অবস্থিত, তাদের চোঙ বা বেলন বা সিলিন্ডার বলে।



উদাহরণঃ পাইপ, টিউব লাইট, গোলাকার স্তম্ভ ইত্যাদি।

      

৪. 

লম্ব বৃত্তাকার শঙ্কুঃ যে সকল ঘনবস্তুর ভূমিতল বৃত্তাকার ও সমতল এবং ভূমির উপরের দিকের পৃষ্ঠতলের পরিধী ক্রমশ কমতে কমতে একটি বিন্দুতে মিলিত হয়েছে, তাদের শঙ্কু বলে।
উদাহরণঃ কলার মোচার অগ্রভাগ, বরের টোপর, ওলন, তেল ঢালা ফানেল ইত্যাদি।

৫. 
  
পিরামিডঃ যে সকল ঘনবস্তুর ভূমি বহুভূজাকার ও পার্শ্বস্থ ত্রিভূজাকৃতি তলগুলি একটি বিন্দুতে মিলিত হয়েছে, তাদের পিরামিড বলে।
উদাহরণঃ মিশরের পিরামিড।

*** চতুস্তলকঃ ত্রিভূজাকার ভূমি বিশিষ্ঠ পিরামিড কে চতুস্তলক বলে।

৬. 
 
গোলকঃ একটি মাত্র তল দ্বারা বেষ্টিত যে সকল ঘনবস্তুর বক্রতল টি অন্তঃস্থ (ভিতরের) একটি বিন্দু থেকে সর্বদা সমান দূরত্বে অবস্থান করে, তাকে গোলক বলে।
উদাহরণঃ বল, মার্বেল, গ্লোব ইত্যাদি।

(ক) নীরেট গোলকঃ যে গোলকের ভিতর ফাকা থাকে না।
উদাহরণঃ মার্বেল, রসগোল্লা ইত্যাদি।
তল- ২ টি ( ১ টি সমতল ও ১ টি বক্রতল)
ধার বা প্রান্তরেখা- ১ টি (বক্র)
শীর্ষবিন্দু- নেই।
(খ) ফাঁপা গোলকঃ যে গোলকের ভিতর ফাকা থাকে।
উদাহরণঃ ফুটবল, গ্লোব ইত্যাদি।

তল- ১ টি (বক্রতল)
ধার বা প্রান্তরেখা-  নেই।
শীর্ষবিন্দু- নেই।

৭. 
অর্ধ গোলকঃ একটি মাত্র তল দ্বারা বেষ্টিত যে সকল ঘনবস্তুর বক্রতল টি অন্তঃস্থ (ভিতরের) একটি বিন্দু থেকে সর্বদা সমান দূরত্বে অবস্থান করে, তাকে গোলক বলে। গোলকের সমান দুটি অংশের প্রতিটি ভাগ কে অর্ধ গোলক বলে।
উদাহরণঃ বাটি, অর্ধেক কাটা লেবু।

(ক) নীরেট অর্ধ গোলকঃ যে অর্ধ গোলকের ভিতর ফাকা থাকে না।
উদাহরণঃ অর্ধেক কাটা লেবু।

তল- ২ টি ( ১ টি সমতল ও ১ টি বক্রতল)
ধার বা প্রান্তরেখা- ১ টি (বক্র)
শীর্ষবিন্দু- নেই।

(খ) ফাঁপা অর্ধ গোলকঃ যে অর্ধ গোলকের ভিতর ফাকা থাকে।
উদাহরণঃ বাটি।

তল- ২ টি ( ২ টি বক্রতল)
ধার বা প্রান্তরেখা- ১ টি (বক্র)
শীর্ষবিন্দু- নেই।





১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩

বৃত্ত

 





১. বৃত্ত কাকে বলে: নির্দিষ্ট বিন্দুকে কেন্দ্র করে সর্বদা সমান দূরত্ব বজায় রেখে যে বিন্দু বা বক্ররেখা ঘুরে আসে তাকে বৃত্ত বলে।
* একই সরল রেখায় অবস্থিত নয় এমন তিনটি বিন্দু দিয়ে একটি ও কেবল মাত্র বৃত্ত আঁকা যায়।
** একই সরল রেখায় অবস্থিত এমন তিনটি বিন্দুর মধ্যে দিয়ে কোন বৃত্ত আঁকা সম্ভব নয়।
*** দুইটি নির্দিষ্ট বিন্দু দিয়ে অসংখ্য বৃত্ত আঁকা যায়।

 

২.
বৃত্তাংশ কাকে বলে:- বৃত্তাকার ক্ষেত্রের কোন অংশকে ঐ বৃত্তের বৃত্তাংশ বলে।
* উপ বৃত্তাংশ:- বৃত্তাকার ক্ষেত্রের ছোট অংশকে উপ বৃত্তাংশ বলে।
** অধি বৃত্তাংশ:- বৃত্তাকার ক্ষেত্রের বড় অংশকে অধি বৃত্তাংশ বলে।

 

৩. বৃত্তের পরিধি কাকে বলে?
একটি বৃত্তের কেন্দ্র হতে সমান দূরত্ব বজায় রেখে কোন বিন্দুর চলার পথকে পরিধি বলে ।
বৃত্তের পরিধি বের করার। সূত্র:- পরিধি=2πr

 

৪. বৃত্তের চাপ কাকে বলে?
বৃত্তের পরিধির যে কোন অংশকে চাপ বলে।
* অর্ধবৃত্তচাপ- অর্ধেক পরিধী বিশিষ্ট চাপ কে অর্ধবৃত্ত বলে।
* *উপবৃত্তচাপ বা উপচাপ- অর্ধবৃত্তের চেয়ে ছোট চাপ কে উপচাপ বলে।
*** অধিবৃত্ত চাপ বা অধিচাপ- অর্ধবৃত্তের চেয়ে বড় চাপ কে উপচাপ বলে।

 

৫. জ্যা কাকে বলে?:
পরিধির যে কোন দুই বিন্দুর সংযোজক রেখাংশকে জ্যা বলে।
* বৃত্তের ব্যাসই হচ্ছে বৃত্তের বৃহত্তম জ্যা।
** বৃত্তের যে কোন জ্যা এর লম্ব দ্বিখণ্ডক কেন্দ্রগামী ।
*** বৃত্তের সমান সমান জ্যা কেন্দ্র হতে সমদূরবর্তী।
**** বৃত্তের দুটি জ্যা এর মধ্যে কেন্দ্রের নিকটতম জ্যাটি অপর জ্যা অপেক্ষা বৃহত্তম।

 

৬. ব্যাসার্ধ কাকে বলে
একটি বৃত্তের কেন্দ্র হতে পরিধি পর্যন্ত দূরত্বকে ব্যাসার্ধ বলে।
* ব্যাসার্ধ হচ্ছে ব্যাসের অর্ধেক।
** ব্যাসার্ধ=ব্যাস/২

 

৭. ব্যাস কাকে বলে?
বৃত্তের কেন্দ্রগামী সকল জ্যাকেই ব্যাস বলে। একটি বৃত্তে অসংখ্য ব্যাস থাকে।
* ব্যাস=২ x ব্যাসার্ধ

 

৮. বৃত্তকলা কাকে বলে?
বৃত্তের দুইটি ব্যাসার্ধ ও একটি চাপ দ্বারা গঠিত অঞ্চলকে বৃত্তকলা বা বৃত্তীয় ক্ষেত্র বলে।

 

৯.

  সমকেন্দ্রিক বৃত্ত কাকে বলে?

উত্তরঃ একই কেন্দ্র বিশিষ্ট একাধিক বৃত্তকে সমকেন্দ্রিক বৃত্ত বলে। অন্যভাবে বললে, কতকগুলো বৃত্তের কেন্দ্র একই বিন্দু হলে ঐসব বৃত্তসমূহকে সমকেন্দ্রিক বৃত্ত বলে।

পরে আরো দেওয়া হবে।

তল , ঘনবস্তুর তল

  ১. তল কি?   কোন বস্তুর উপরিভাগকে তল বলা হয়। অর্থাৎ , ঘনবস্তুর উপরিভাগকেই তল বলে। ·         তলের কেবল দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ ...