ক্লাস ৫ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ক্লাস ৫ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

২২ সেপ্টেম্বর ২০২৩

ঘনবস্তু

 

ঘনবস্তু

ঘনবস্তু কাকে বলে:

যে সকল বস্তু বা পদার্থ কিছুটা স্থান দখল করে থাকে এবং যার দৈর্ঘ্য, প্রস্থ এবং উচ্চতা আছে তাকে ঘনবস্তু বলে
যেমন বল, ইট, বই, খাতা,কয়লার টুকরো, পর্বত, ভাঙা ইট, ইত্যাদি

ঘনবস্তু কত প্রকার ও কি কি:

ইহা আকৃতি অনুসারে দুই প্রকার| যথাঃ

১) সুষম ঘনবস্তু ও
২) বিষম ঘনবস্তু

সুষম ঘনবস্তু:

যে সমস্ত ঘনবস্তুর বহিরাকৃতি সামঞ্জস্যপূর্ণ তাদের সুষম ঘনবস্তু বলে|
যেমন বল, ইট, বই, খাতা ইত্যাদি এরুপ|

বিষম ঘনবস্তু:

যে সমস্ত ঘনবস্তুর বহিরাকৃতি সামঞ্জস্যহীন তাদের বিষম ঘনবস্তু বলে|
যেমন কয়লার টুকরো, পর্বত, ভাঙা ইট ইত্যাদি|

দৈর্ঘ্য, প্রস্থ এবং উচ্চতা বা বেধ হল এক একটি মাত্রা।

ঘনবস্তুর মাত্রা কয়টি ও কি কি:

ঘনবস্তুর মাত্রা ৩ টি,একটি ঘনবস্তুর দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতা - তিনটিই আছে, একারণে তা ত্রিমাত্রিক। বস্তুত, আমরা যে বস্তুজগতে বাস করি স্থানিক বিবেচনায় তার পুরোটাই ত্রিমাত্রিক।

বিভিন্ন প্রকার সুষম ঘনবস্তু:

১. আয়তঘন
আয়তঘন এর সংজ্ঞা : যে ঘনবস্তুর প্রতিটি তল আয়তক্ষেত্রাকার এবং বিপরীত তল গুলির দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ সমান এবং সন্নিহিত তলগুলি পরস্পর লম্ব, তাকে সমকোণী চৌপল বা আয়তঘন বলা হয়।

৬টি পৃষ্ঠতল
* ১২টি ধার বা প্রান্তরেখা
* ৮টি শীর্ষবিন্দু
* সন্নিহিত তল গুলি পরস্পর ৯০° বা সমকোনে আনত থাকে।

২. ঘনক 

ঘনক এর সংজ্ঞা : আয়তাকার ঘনবস্তুর দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতা সমান হলে, তাকে ঘনক বলে।
৬টি তল 
* ১২টি ধার বা প্রান্তরেখা
* ৮টি শীর্ষবিন্দু
* সন্নিহিত তল গুলি পরস্পর ৯০° বা সমকোনে আনত থাকে।

৩.  চোঙ বা বেলন বা সিলিন্ডারঃ যে সকল ঘন বস্তুর দুটি প্রান্ততল বৃত্তাকার এবং যারা পরস্পর সমান্তরাল ভাবে অবস্থিত, তাদের চোঙ বা বেলন বা সিলিন্ডার বলে।



উদাহরণঃ পাইপ, টিউব লাইট, গোলাকার স্তম্ভ ইত্যাদি।

      

৪. 

লম্ব বৃত্তাকার শঙ্কুঃ যে সকল ঘনবস্তুর ভূমিতল বৃত্তাকার ও সমতল এবং ভূমির উপরের দিকের পৃষ্ঠতলের পরিধী ক্রমশ কমতে কমতে একটি বিন্দুতে মিলিত হয়েছে, তাদের শঙ্কু বলে।
উদাহরণঃ কলার মোচার অগ্রভাগ, বরের টোপর, ওলন, তেল ঢালা ফানেল ইত্যাদি।

৫. 
  
পিরামিডঃ যে সকল ঘনবস্তুর ভূমি বহুভূজাকার ও পার্শ্বস্থ ত্রিভূজাকৃতি তলগুলি একটি বিন্দুতে মিলিত হয়েছে, তাদের পিরামিড বলে।
উদাহরণঃ মিশরের পিরামিড।

*** চতুস্তলকঃ ত্রিভূজাকার ভূমি বিশিষ্ঠ পিরামিড কে চতুস্তলক বলে।

৬. 
 
গোলকঃ একটি মাত্র তল দ্বারা বেষ্টিত যে সকল ঘনবস্তুর বক্রতল টি অন্তঃস্থ (ভিতরের) একটি বিন্দু থেকে সর্বদা সমান দূরত্বে অবস্থান করে, তাকে গোলক বলে।
উদাহরণঃ বল, মার্বেল, গ্লোব ইত্যাদি।

(ক) নীরেট গোলকঃ যে গোলকের ভিতর ফাকা থাকে না।
উদাহরণঃ মার্বেল, রসগোল্লা ইত্যাদি।
তল- ২ টি ( ১ টি সমতল ও ১ টি বক্রতল)
ধার বা প্রান্তরেখা- ১ টি (বক্র)
শীর্ষবিন্দু- নেই।
(খ) ফাঁপা গোলকঃ যে গোলকের ভিতর ফাকা থাকে।
উদাহরণঃ ফুটবল, গ্লোব ইত্যাদি।

তল- ১ টি (বক্রতল)
ধার বা প্রান্তরেখা-  নেই।
শীর্ষবিন্দু- নেই।

৭. 
অর্ধ গোলকঃ একটি মাত্র তল দ্বারা বেষ্টিত যে সকল ঘনবস্তুর বক্রতল টি অন্তঃস্থ (ভিতরের) একটি বিন্দু থেকে সর্বদা সমান দূরত্বে অবস্থান করে, তাকে গোলক বলে। গোলকের সমান দুটি অংশের প্রতিটি ভাগ কে অর্ধ গোলক বলে।
উদাহরণঃ বাটি, অর্ধেক কাটা লেবু।

(ক) নীরেট অর্ধ গোলকঃ যে অর্ধ গোলকের ভিতর ফাকা থাকে না।
উদাহরণঃ অর্ধেক কাটা লেবু।

তল- ২ টি ( ১ টি সমতল ও ১ টি বক্রতল)
ধার বা প্রান্তরেখা- ১ টি (বক্র)
শীর্ষবিন্দু- নেই।

(খ) ফাঁপা অর্ধ গোলকঃ যে অর্ধ গোলকের ভিতর ফাকা থাকে।
উদাহরণঃ বাটি।

তল- ২ টি ( ২ টি বক্রতল)
ধার বা প্রান্তরেখা- ১ টি (বক্র)
শীর্ষবিন্দু- নেই।





১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩

বৃত্ত

 





১. বৃত্ত কাকে বলে: নির্দিষ্ট বিন্দুকে কেন্দ্র করে সর্বদা সমান দূরত্ব বজায় রেখে যে বিন্দু বা বক্ররেখা ঘুরে আসে তাকে বৃত্ত বলে।
* একই সরল রেখায় অবস্থিত নয় এমন তিনটি বিন্দু দিয়ে একটি ও কেবল মাত্র বৃত্ত আঁকা যায়।
** একই সরল রেখায় অবস্থিত এমন তিনটি বিন্দুর মধ্যে দিয়ে কোন বৃত্ত আঁকা সম্ভব নয়।
*** দুইটি নির্দিষ্ট বিন্দু দিয়ে অসংখ্য বৃত্ত আঁকা যায়।

 

২.
বৃত্তাংশ কাকে বলে:- বৃত্তাকার ক্ষেত্রের কোন অংশকে ঐ বৃত্তের বৃত্তাংশ বলে।
* উপ বৃত্তাংশ:- বৃত্তাকার ক্ষেত্রের ছোট অংশকে উপ বৃত্তাংশ বলে।
** অধি বৃত্তাংশ:- বৃত্তাকার ক্ষেত্রের বড় অংশকে অধি বৃত্তাংশ বলে।

 

৩. বৃত্তের পরিধি কাকে বলে?
একটি বৃত্তের কেন্দ্র হতে সমান দূরত্ব বজায় রেখে কোন বিন্দুর চলার পথকে পরিধি বলে ।
বৃত্তের পরিধি বের করার। সূত্র:- পরিধি=2πr

 

৪. বৃত্তের চাপ কাকে বলে?
বৃত্তের পরিধির যে কোন অংশকে চাপ বলে।
* অর্ধবৃত্তচাপ- অর্ধেক পরিধী বিশিষ্ট চাপ কে অর্ধবৃত্ত বলে।
* *উপবৃত্তচাপ বা উপচাপ- অর্ধবৃত্তের চেয়ে ছোট চাপ কে উপচাপ বলে।
*** অধিবৃত্ত চাপ বা অধিচাপ- অর্ধবৃত্তের চেয়ে বড় চাপ কে উপচাপ বলে।

 

৫. জ্যা কাকে বলে?:
পরিধির যে কোন দুই বিন্দুর সংযোজক রেখাংশকে জ্যা বলে।
* বৃত্তের ব্যাসই হচ্ছে বৃত্তের বৃহত্তম জ্যা।
** বৃত্তের যে কোন জ্যা এর লম্ব দ্বিখণ্ডক কেন্দ্রগামী ।
*** বৃত্তের সমান সমান জ্যা কেন্দ্র হতে সমদূরবর্তী।
**** বৃত্তের দুটি জ্যা এর মধ্যে কেন্দ্রের নিকটতম জ্যাটি অপর জ্যা অপেক্ষা বৃহত্তম।

 

৬. ব্যাসার্ধ কাকে বলে
একটি বৃত্তের কেন্দ্র হতে পরিধি পর্যন্ত দূরত্বকে ব্যাসার্ধ বলে।
* ব্যাসার্ধ হচ্ছে ব্যাসের অর্ধেক।
** ব্যাসার্ধ=ব্যাস/২

 

৭. ব্যাস কাকে বলে?
বৃত্তের কেন্দ্রগামী সকল জ্যাকেই ব্যাস বলে। একটি বৃত্তে অসংখ্য ব্যাস থাকে।
* ব্যাস=২ x ব্যাসার্ধ

 

৮. বৃত্তকলা কাকে বলে?
বৃত্তের দুইটি ব্যাসার্ধ ও একটি চাপ দ্বারা গঠিত অঞ্চলকে বৃত্তকলা বা বৃত্তীয় ক্ষেত্র বলে।

 

৯.

  সমকেন্দ্রিক বৃত্ত কাকে বলে?

উত্তরঃ একই কেন্দ্র বিশিষ্ট একাধিক বৃত্তকে সমকেন্দ্রিক বৃত্ত বলে। অন্যভাবে বললে, কতকগুলো বৃত্তের কেন্দ্র একই বিন্দু হলে ঐসব বৃত্তসমূহকে সমকেন্দ্রিক বৃত্ত বলে।

পরে আরো দেওয়া হবে।

৩০ জুলাই ২০২৩

অনুচ্ছেদ রচনা : স্বামী বিবেকানন্দ

 


বীর সন্ন্যাসী স্বামী বিবেকানন্দ


  ভারতীয় ধর্ম ও আদর্শকে বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরেছিলেন বিশ্বজয়ী স্বামী বিবেকানন্দ। তাঁর নেতৃত্বে সন্ন্যাসীরা মানুষের সেবায় জীবন উৎসর্গ করার ব্রত গ্রহণ করেন। বিবেকানন্দের আসল নাম নরেন্দ্রনাথ দত্ত। ১৮৬৩ খ্রিস্টাব্দের ১২ জানুয়ারি কলকাতার সিমলা অঞ্চলে তার জন্ম হয়েছিল । তার বাবার নাম বিশ্বনাথ দত্ত, মায়ের নাম ভুবনেশ্বরী দেবী। ছেলেবেলায় তিনি ছিলেন ভীষণ দুরন্ত, নির্ভীক ও মেধাবী। তিনি ছেলেবেলা থেকেই সাহসী ও ধার্মিক ছিলেন। আর ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী ও মনােযােগী ছাত্র। বিএ পাশ করার পর তাকে নানা আর্থিক অনটনে ভুগতে হয়। একসময় শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণদেবের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। ক্রমে তিনি রামকৃষ্ণদেবের প্রতি বিশেষ আকর্ষণ অনুভব করেন। দক্ষিণেশ্বরে ঘন ঘন যাতায়াত শুরু হয় তাঁর। অবশেষে তিনি তাঁর শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন । সন্ন্যাসগ্রহণের পর তাঁর নাম হয় স্বামী বিবেকানন্দ এবং শ্রীরামকৃষ্ণদেবের তিরােধানের পর তিনি পরিব্রাজক হয়ে সারা ভারত ভ্রমণ করেন। এবার তিনি শুরু করলেন মানব সেবার কাজ। ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দে শিকাগাে শহরের ধর্ম মহাসভায় যােগ দেবার জন্যে তিনি আমেরিকায় যান। ওই সভায় তাঁর বক্তৃতা শুনে উপস্থিত সকলেই মুগ্ধ হন। সারা পৃথিবীতে তার নাম ছড়িয়ে পড়ে। বহু বিদেশি তাঁর শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন। দেশে ফিরে এসে তিনি গড়ে তােলেন রামকৃষ্ণ মিশন। প্রতিষ্ঠা করেন বেলুড় মঠ। অনেকগুলি গ্রন্থও রচনা করেন। অত্যধিক পরিশ্রমের ফলে স্বামী বিবেকানন্দ অসুস্থ হয়ে পড়েন। ১৯০২ খ্রিস্টাব্দের ৪ জুলাই মাত্র উনচল্লিশ বৎসর বয়সে বেলুড় মঠেই তাঁর জীবনাবসান হয় ।

২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩

পঞ্চম শ্রেণি-পরিবেশ (প্রথম অধ্যায়-মানবদেহ)

 


TOTON MASTER COACHING

মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক Part 1, 2023

পরিবেশ (প্রথম অধ্যায়-মানবদেহ)

পঞ্চম শ্রেণি

পূর্ণমান : 80                                                             _______________________     সময়: 2 ঘন্টা 30 মিনিট

ঠিক উত্তর নির্বাচন করো : : যে কোন ১৫ টি                                  1 x 15 = 15

.১) আগেকার দিনে যোদ্ধাদের ব্যবহৃত পুরু চামড়ার পোশাক কে বলা হতঢাল / চর্ম / খা / বর্ম

.২) নখের যত্ন না নিলে যে রোগ হয়, তা হলচুলকানি / খুশকি / রক্তাল্পতা / নখকুনি।

.৩) ক্লোরোফিল / হিমোগ্লোবিন / রক্ত / মেলানিন-এর অভাবে চুল সাদা হয়ে যায়

.৪) কোন্ অঙ্গ টি তে হাড় নেই-চোখ / পা / হাত / নাক

.৫) গন্ডারের খঙ্গ হল আসলেচুল / লোম / নখ / ত্বক

.৬) মানুষের দেহে হাড়ের সংখ্যা কত ? – ১০৬ / ২০৬ / ৩০৬ / ৪০৬ টি।

.৭) আমাদের শরীরে ত্বকের স্তর কটি?  একটি / দুটি / তিনটি/ চারটি

.৮) খুর দেখা যায় এমন একটি প্রাণী হলবিড়াল/ পেঁচা / বাঘ / ঘোড়া

.৯) সারা শরীরে রক্ত ছড়িয়ে দেবার পাম্প হলহূৎপিণ্ড / ফুসফুস / মস্তিষ্ক / পাকস্থলী

.১০) নখ ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া- নিউমোনিয়া/ ঘুম রোগের / রক্তাল্পতার /ডায়াবেটিসের লক্ষণ

.১১) অতিবেগুনি রশ্মির ফলে ত্বকে - ক্যানসার / দান / একজিমা / খোস পাচড়া হয়

.২) শিকারী পশু পাখি দের ধারালো নখ কে বলা হয় -ক্ষুর / নখর / নখকুনি / নাখুন

.১৩) বাদুড়ের গায়ে আছে - লোম / পালক / আঁশ / চুল

.৪) হৃৎপিণ্ডের শব্দ বোঝা যায় যে যন্ত্রে তা হল থার্মোমিটার / স্টেথোস্কোপ / ব্যারোমিটার / ফটোমিটার

.) কাঁধ থেকে কনুই পর্যন্ত বড়ো হাড়টির নাম হল -ফিমার / হিউমেরাস / ভার্টিব্রা / কশেরুকা

.) সূর্য রশ্মির প্রভাবে আমাদের ত্বকে তৈরি হয়ভিটামিন A / ভিটামিন E / ভিটামিন K / ভিটামিন D

.১৭) চামড়ার চামড়ার নিচে ফুলে থাকা নলের মতো অংশ গুলো হল- ধমনি /শিরা / মাংসপেশি / নার্ভ

 

ঠিক বাক্যের পাশে  আর ভুল বাক্যের পাশে  'x' চিহ্ন দাও :                 1 x 8 = 8               

.১) ত্বক পুড়ে গেলে ত্বকের নীচের স্তর থেকে রক্ত বেরিয়ে আসেX

.২) টাইফয়েড একটি জলবাহিত রোগ

.৩) সারা শরীরে রক্ত ছড়িয়ে দেয় ফুসফুসX

.৪) ইনফ্লুয়েঞ্জা একটি জলবাহিত রোগX

.৫) নার্ভ, পেশি, শিরা ধমনী কে রক্ষা করে চামড়া

.৬) শরীরের যেসব জায়গার চামড়া মোটা সেখানে শিরা দেখা যায়X

.৭) জিভ একটা পেশি

.৮) ব্যাঙের গায়ে আঁশ থাকেX

শূন্যস্থান পূরণ করো : যে কোন ৫ টি।                                                 1 x 5 = 5

.১) মানব দেহের সব চেয়ে বড়ো অস্থি হল_কশেরুকা / ভার্টিব্রা

.২) শজারু লোম শক্ত এবং ছুঁচালো কাঁটার মতো

.৩) পুড়ে যাবার সঙ্গে সঙ্গে_বরফ/ ঠান্ডা জল ব্যবহার করা উচিত

.৪) একটি বায়ুবাহিত  রোগের নাম_নিউমোনিয়া

.৫) পেঁচা ঈগলের নখ বাঁকানো  হুকের মতো।

.৬) হাড়গুলি অস্থিসন্ধিতে যে দড়ির মতো জিনিস দিয়ে লাগানো থাকে,তাকে লিগামেন্ট বলে

সঠিকঘরেবসাও :                                                       1 x 8= 8

             রোগের নাম                             বায়ুবাহিত/জলবাহিত

টাইফয়েড

 জলবাহিত

পোলিও

 জলবাহিত

নিউমোনিয়া

 বায়ুবাহিত

অ্যালার্জী

 বায়ুবাহিত

কৃমিঘটিত রোগ

 জলবাহিত

মাম্পস

 বায়ুবাহিত

বাত

 জলবাহিত/ বায়ুবাহিত নয়।

জলবসন্ত

 বায়ুবাহিত

 

একটি বাক্যে উত্তর দাও :                                               1 x 10 = 10

.১) অস্থি মজবুত করার জন্য কী দরকার?

.২) স্টোথোস্কোপ কে আবিষ্কার করেন?

.) মানুষের শরীরে হাটু থেকে গোড়ালি পর্যন্ত যে দুটো হাড় থাকে তাদের নাম লেখো

.৪) মানুষের শরীরে কনুই থেকে কব্জি পর্যন্ত যে দুটো হাড় থাকে তাদের নাম লেখো

.৫) মানুষের শরীরে কোমর থেকে হাঁটু পর্যন্ত যে হাড়টি রয়েছে তার নাম কী?

.৬) স্টেথোস্কোপ যন্ত্রটির আবিষ্কারক কে?

.৭) কোন্ রোগের বিরুদ্ধে দেহে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে বি সি জি  টিকা দেওয়া  হয়?

.৮) ORS  তৈরিতে কী কী উপাদান প্রয়োজন ?

.৯) ORS- এর পুর কথাটি কি?

.১০) BCG- এর পুর কথাটি কি ?

.১১) DOT কি?

 

দুটি বা তিনটি বাক্যে উত্তর দাও :যে কোন ৮ টি                    2 x 8= 16

.১) কী করে পেশি জোরালো মজবুত হবে?

.) পেশির কাজ কী?

.৩) রক্তাল্পতা দুটি লক্ষণ উল্লেখ করো

.৪) জলবাহিত রোগ কাকে বলে? উদাহরণ দাও। 

.৫) পেশি যেসব কাযে আমাদের সাহায্য করে তার মধ্যে যে-কোনো দুটো কাজের উল্লেখ করো।

.৬) জিভের কাজ কী কী?

.৭) শরীরের চামড়া কে কেন বর্মের সঙ্গে তুলনা করা হয়?

.৮) সারা শরীরে রক্ত যাওয়ার প্রয়োজন কেন?

.৯) মেলানিন আমাদের কী উপকার করে?

.১০)ত্বকের কাজ কী?

       অথবা, ত্বক কী?

৭. নীচের বিষয় গুলি সম্পর্কে পাঁচ-ছয়টি বাক্যে লেখো : যেকোন ৫ টি , 3 x 5= 15

.) আমাদের শরীরে অস্থিসন্ধি না থাকলে কী সমস্যা হত?

.) মানব হৃৎপিণ্ডকেজীবন্তপাম্প' বলা হয় কেন ?

.৪) কলেরা রোগের উপসর্গ গুলি লেখো

.৫) বাড়িতে কী ভাবে ORS তৈরি করবে?

.৬) যক্ষ্মা রোগের লক্ষণ গুলি কী কী?

.৭) চামড়া কে শরীরের বর্ম বলা হয় কেন?

.৮) গোড়ালির চামড়া পুরু হয় কেন ?

.৯) ফোসকা কীভাবে পড়ে ?

.১০) টিকাকরণ বলতে কী বোঝো?

.১১) রক্তের কাজ গুলি কী কী?

.১২) চামড়ার রং দেখে মানুষের ভেদাভেদ এক ধরনের অপরাধ' – ব্যাখ্যা করো

.১৩) শিরা ধমনীর মধ্যে চারটি পার্থক্য লেখো

 



পরিষ্কার
সুন্দর হাতের লেখার জন্য নম্বর

 

তল , ঘনবস্তুর তল

  ১. তল কি?   কোন বস্তুর উপরিভাগকে তল বলা হয়। অর্থাৎ , ঘনবস্তুর উপরিভাগকেই তল বলে। ·         তলের কেবল দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ ...